উচ্চ আদালতের নির্দেশে পুনরায় চালু বহুল আলোচিত যাদুকাটা নদীতে বালু উত্তোলন
- আপলোড সময় : ১৯-১০-২০২৬ ০৯:০৮:৪৬ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১৯-১০-২০২৬ ০৯:০৮:৪৬ অপরাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টার::
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের আলোচিত যাদুকাটা নদীর বালু মহাল যাদুকাটার-১ ও যাদুকাটা-২ বালু মহাল থেকে পুনরায় বালু উত্তোলনের অনুমতি দিয়েছে জেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার বিকেল বৃহৎ এই দুই বালু মহাল থেকে বালু উত্তোলনের সীমানা নিধারণ করে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
এই খবর শোনার পর স্থানীয় এলাকাবাসী ও শ্রমিক ব্যবসায়ীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে স্বস্তি বইছে আনন্দের আনন্দের জোয়ার। যার ফলে মঙ্গলবার থেকেই কর্মচাঞ্চল্য ফিরছে যাদুকাটা।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের গত ১৪ সেপ্টেম্বর ইজারার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর
বালু মহাল থেকে গত ১৪ই সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসন বালু উত্তোলন বন্ধ ঘোষণা করে। এর পর পুনরায় ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে যাদুকাটা-১ বালু মহাল ১৫ কোটি ৮৩ লাখ ১৪ হাজার ৬৯ টাকা। এবং যাদুকাটা ২ বালু মহাল ২৬ কোটি ৮৩ লাখ ২১ হাজার ৩৫৩ টাকা ইজারা মূল্যে দুইটি মহাল ইজারা পান তাহিয়া স্টোন ক্রাশারের স্বত্বাধিকার নাছির মিয়া। ইজারার মেয়াদ ২০২৬ইং ১ অক্টোবর থেকে ২০২৭ সালের ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত।
এরপরই সাবেক দুই ইজারাদার রতন মিয়া ও শাহ রুবেল হাইকোর্টে রিট করায় উচ্চ আদালত স্থগিতাদেশ জারি করে। এদিকে হাইকোর্টে রিট করা সাবেক ইজারাদার শাহ্ রুবেল এক পর্যায়ে রিট প্রত্যাহার করে নেন।
অন্যদিকে সাবেক ইজারাদার """রতন মিয়ার রিটের স্থগিতাদেশের বিরুদ্ধে ইজারাদার নাসির মিয়া আপিল করলে, আদালত ১৫ দিনের জন্য রতন মিয়ার স্থগিতাদেশটিও স্থগিত করেন"""।
দীর্ঘ আইনি জটিলতার অবসান শেষে সোমবার ১৯ অক্টোবর জেলা প্রশাসনের রাজস্ব শাখা আজ সোমবার সীমানা ও দখল বুঝিয়ে দেন। দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের পক্ষে তাহিরপুর উপজেলা প্রশাসন তাহিয়া স্টোন ক্রাশারের স্বত্বাধিকারী নাসির মিয়াকে বালু মহাল দুটিকে বাংলা বছরের অবশিষ্ট সময়ের জন্য এই (৩ কার্তিক থেকে ৩০ চৈত্র’ ১৪৩৩) অনুমতি দেওয়ার জন্য যাদুকাটা-১ ও ২ বালু মহালের সীমান নির্ধারণ করে বুঝিয়ে দেয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার ভূমি। তবে ওই মহালের উত্তোলিত বালু থেকে সরকারি রয়েলিটি আদায়ের মূল্য তালিকা সোমবার মহালের দৃশ্যমান স্থানে স্থাপন করা হয় নি।
ইজারাদার নাসির মিয়া জানান,নীতিমালা মেনেই আমাদের কর্যক্রম পরিচালিত হবে। কাউকেই কোনো অনিয়ম করতে দেয়া হবে না যাদুকাটা নদী। আমাদের পক্ষে থেকে কঠোরভাবে পাড়কাটা প্রতিহত করা হবে।
তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রিপামনি দেবী বলেন,নির্দেশনা মেনে ইজারাদার কে সীমানা ও দখল বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। এবং ইজারাদার কে নীতিমালা ও নির্দেশনা মেনেই বালু উত্তোলন করতে হবে। এর ব্যথয় ঘটলে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নজরদারি বাড়ানোর হয়েছে।
উল্লেখ্য,বালুমহাল দুটির বিপরীতে ধার্য দর, আয়কর ও মূল্য সংযোজন করসহ (ভ্যাট) সরকারের কোষাগারে জমা পড়েছে ১০ শতাংশ আয়কর ১৬ শতাংশ ভ্যাট ৪২ কোটি ৬৬ লাখ ৩৬ হাজার ৪২২ টাকা। চলতি ১৪৩৩ বাংলা সনের অবশিষ্ট সময়ের জন্য এই অনুমতি কার্যকর থাকবে। সময়সীমা ১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে ১৩ এপ্রিল ২০২৭ পর্যন্ত।
নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ

স্টাফ রিপোর্টার, দৈনিক সুনামকণ্ঠ